থাইল্যান্ড ভিসা: বাংলাদেশিদের ই-ভিসা আবেদন, কাগজপত্র ও ফি
থাইল্যান্ড ভিসা বাংলাদেশ থেকে কীভাবে করবেন: থাই ই-ভিসা আবেদনের ধাপ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ব্যাংক সলভেন্সি, ফি পরিশোধ, প্রসেসিং সময় ও বাতিলের কারণ।

এই আর্টিকেলের মূল বিষয়বস্তু
- স্বচ্ছ, কাগজপত্রভিত্তিক ও হালনাগাদ নিয়মের পরামর্শ
- প্রাথমিক ফাইল মূল্যায়নে কোনো অগ্রিম ফি নেই
- ঢাকা প্রধান কার্যালয় ও শরীয়তপুর শাখায় সরাসরি সেবা
- দেশের ৬৪ জেলা থেকে হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমেইলে অনলাইন সেবা
১. থাইল্যান্ড ভিসা: সংক্ষেপে মূল তথ্য
সংক্ষিপ্ত উত্তর: বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের থাইল্যান্ড যেতে ভিসা লাগে, এবং ২ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে থাইল্যান্ড ভিসার আবেদন হয় অফিসিয়াল থাই ই-ভিসা পোর্টালে (thaievisa.go.th)। কাগজপত্র আপলোড করে বাংলাদেশে রয়্যাল থাই দূতাবাসের নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফি পরিশোধ করতে হয়, এরপর ই-ভিসা ইমেইলে আসে — পাসপোর্ট জমা দিতে হয় না। দূতাবাস প্রসেসিংয়ের জন্য অন্তত প্রায় ১০ কর্মদিবস সময় রাখার পরামর্শ দিয়েছে, ব্যস্ত মৌসুমে আরও বেশি লাগতে পারে।
বাংলাদেশিদের প্রথম বিদেশ ভ্রমণের জন্য থাইল্যান্ড অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য — ব্যাংকক, ফুকেট বা পাতায়ায় ছুটি কাটাতে এবং ব্যাংককের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য। তুলনামূলক সহজলভ্য ভিসা হওয়ায় এটি ভবিষ্যৎ ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল হিস্ট্রি তৈরিতেও সাহায্য করে।
নিয়ম, ফি ও কাগজের তালিকা ঢাকার রয়্যাল থাই দূতাবাস নির্ধারণ করে এবং পরিবর্তন হতে পারে, তাই এই গাইডকে সারসংক্ষেপ হিসেবে নিন এবং আবেদনের আগে দূতাবাসের ওয়েবসাইট ও ই-ভিসা পোর্টাল দেখে নিন।
২. থাইল্যান্ড ভিসা করতে কি কি লাগে: কাগজপত্রের তালিকা
ঢাকার রয়্যাল থাই দূতাবাসের টুরিস্ট ভিসা (TR) শর্ত অনুযায়ী নিচের কাগজগুলোর স্পষ্ট স্ক্যান প্রস্তুত রাখুন:
- কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদি ও অন্তত ২টি খালি পাতাসহ পাসপোর্ট, আগে থাই ভিসা থাকলে সেই পাতা
- সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের সাম্প্রতিক রঙিন ছবি (পোর্টালের নির্ধারিত ফরম্যাটে)
- সন্তোষজনক লেনদেনসহ শেষ ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও হালনাগাদ ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট (মূল কপি প্রয়োজন)
- ভিসা আবেদনপত্র (রিকোয়েস্ট লেটার), চাকরিজীবীদের জন্য নিয়োগকর্তার সুপারিশপত্র/NOC ও বেতনের প্রমাণ
- ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স (নোটারাইজড ইংরেজি অনুবাদ); শিক্ষার্থীদের স্টুডেন্ট আইডি বা প্রতিষ্ঠানের চিঠি; ডাক্তারদের BMDC ও আইনজীবীদের বার কাউন্সিল সনদ
- রাউন্ড-ট্রিপ এয়ার টিকিট বুকিং ও হোটেল বুকিং
- পরিবারসহ গেলে বিবাহ সনদ ও সম্পর্কের প্রমাণ; অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বাবা-মায়ের সম্মতিপত্র ও জন্মসনদ
বাংলায় লেখা কাগজ ইংরেজিতে অনুবাদ করে নোটারাইজ করতে হয়। কনস্যুলার অফিসার অতিরিক্ত কাগজ চাইতে পারেন, তাই দূতাবাসের কোনো ইমেইল এলে দ্রুত উত্তর দিন। সাধারণ টুরিস্ট ভিসার প্রস্তুতি নিয়ে আরও জানতে পড়ুন টুরিস্ট ভিসা করতে কি কি লাগে।
৩. ব্যাংক সলভেন্সি ও আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ
দূতাবাসের TR ভিসা পেজে (সর্বশেষ হালনাগাদ নভেম্বর ২০২২) জনপ্রতি ন্যূনতম ২০,০০০ বাথ বা পরিবারপ্রতি ৪০,০০০ বাথ, অথবা জনপ্রতি ৬০,০০০ টাকা বা পরিবারপ্রতি ১,২০,০০০ টাকার কথা বলা আছে। এটি প্রকাশিত ন্যূনতম পরিমাণ, নিশ্চয়তা নয় — অফিসাররা দেখেন আপনার আয় ও লেনদেন পরিকল্পিত ভ্রমণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা।
কোনো প্রতিষ্ঠান স্পন্সর করলে তার ট্রেড লাইসেন্স সংযুক্ত করুন; তবুও দূতাবাস আপনার ব্যক্তিগত ব্যাংক স্টেটমেন্ট চাইতে পারে। পরিবারের কেউ স্পন্সর করলে তার ব্যাংকের কাগজ, স্পন্সরশিপ লেটার ও সম্পর্কের প্রমাণ দিন।
দূতাবাস প্রকাশ্যে সতর্ক করেছে যে ভুয়া হোটেল বুকিং, জাল টিকিট, জাল ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা নকল পেমেন্ট রশিদসহ আবেদন বাতিল করা হবে। আসল ও যাচাইযোগ্য বুকিং ব্যবহার করুন — বাতিলযোগ্য হোটেল রিজার্ভেশন দিলেও চলে।
৪. ধাপে ধাপে থাই ই-ভিসা আবেদনের নিয়ম
- অফিসিয়াল পোর্টাল thaievisa.go.th-এ অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং আবেদনের স্থান হিসেবে রয়্যাল থাই দূতাবাস, ঢাকা বেছে নিন
- ভিসার ধরন নির্বাচন করুন (ভ্রমণের জন্য টুরিস্ট ভিসা)
- ফরম পূরণ করুন এবং নির্ধারিত ফরম্যাট ও সাইজে স্ক্যান আপলোড করুন
- সিস্টেমের তৈরি পেমেন্ট সামারি ডাউনলোড করুন — বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য পোর্টালে সরাসরি কার্ডে পেমেন্ট নেওয়া হয় না
- তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে দূতাবাসের নির্ধারিত অ্যাকাউন্টে ফি পরিশোধ করুন (ব্যাংকে নগদ জমা গ্রহণ করা হয়নি) এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পেমেন্টের প্রমাণ আপলোড করুন
- ইমেইলে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করুন, অনুমোদিত ই-ভিসা প্রিন্ট করে পাসপোর্টের সাথে রাখুন
পোর্টালে দেখানো সময়ের মধ্যে পেমেন্ট না হলে আবেদন মুছে যায় এবং ই-ভিসার ফি ফেরতযোগ্য নয়। জমা দেওয়ার আগে প্রতিটি তথ্য — বিশেষ করে পাসপোর্ট নাম্বার ও নামের বানান — দুবার মিলিয়ে নিন।
৫. থাইল্যান্ড ভিসা ফি ও প্রসেসিং সময়
অফিসিয়াল ফি আবেদন জমার পর পেমেন্ট সামারিতে দেখানো হয়, আর দূতাবাস তাদের ওয়েবসাইটে কনস্যুলার ফি তালিকা প্রকাশ করে (সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ একটি হালনাগাদ দেওয়া হয়েছিল)। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ভিন্ন ভিন্ন অঙ্ক দেখা যায়, তাই শুধু দূতাবাসের নোটিশ ও পোর্টালে দেখানো অঙ্কের ওপর ভরসা করুন।
ই-ভিসা চালুর সময় দূতাবাস জানিয়েছিল প্রসেসিং সাধারণত ১০ কর্মদিবসের মধ্যে হয়, এবং ভ্রমণের অনেক আগে আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছে — প্রায় ৪৫ দিন আগে পর্যন্ত। ঈদ, শীতের ছুটি ও থাই উৎসবের মৌসুমে সময় বাড়তে পারে।
পরামর্শ: ভিসা অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত পরিবর্তনযোগ্য বা রিফান্ডযোগ্য টিকিট নিন। ঢাকা (DAC) থেকে ব্যাংককে সরাসরি ফ্লাইট আছে, আর মৌসুমভেদে চট্টগ্রাম থেকেও কিছু অপশন পাওয়া যায়। অপশন তুলনা করতে আমাদের ঢাকা–ব্যাংকক এয়ার টিকেট টিম সাহায্য করবে, আর রিফান্ডের নিয়ম জানতে পড়ুন বিমান টিকিট চেক ও ক্যানসেলের নিয়ম।
৬. চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড ভ্রমণ
অনেক বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য ব্যাংককে যান। সাধারণ কাগজপত্রের পাশাপাশি হাসপাতালের অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা আমন্ত্রণপত্র, সাম্প্রতিক মেডিকেল রিপোর্ট এবং সঙ্গীর ক্ষেত্রে রোগীর সাথে সম্পর্কের প্রমাণ রাখুন। আপনার ক্ষেত্রে কোন ক্যাটাগরির ভিসা উপযুক্ত তা দূতাবাসের কাছ থেকে জেনে নিন।
হাসপাতালগুলোর আন্তর্জাতিক রোগী বিভাগ সাধারণত অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার দিতে পারে। আর্থিক পরিকল্পনা ভালোভাবে করুন: চিকিৎসার খরচ, হাসপাতালের কাছে হোটেল এবং থাকার সময় বাড়ার সম্ভাবনা — সবকিছু আপনার ব্যাংকের কাগজে প্রতিফলিত হওয়া উচিত।
৭. থাই ভিসা বাতিলের সাধারণ কারণ
- ভুয়া বা যাচাই-অযোগ্য হোটেল বুকিং, টিকিট বা ব্যাংকের কাগজ
- শর্তের চেয়ে কম বা আয়ের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যাংক ব্যালেন্স
- ঝাপসা, কাটা বা ভুল ফরম্যাটে আপলোড
- NOC, ট্রেড লাইসেন্স বা অনুবাদ না দেওয়া
- দেরিতে পেমেন্ট বা ভুল পেমেন্ট প্রমাণ আপলোড
- ফরম ও কাগজপত্রের তথ্যে অমিল
অনেক ভ্রমণকারী একই ছুটিতে থাইল্যান্ডের সাথে ভারত বা মালয়েশিয়া ঘুরতে চান। ভারতের কথা ভাবলে বর্তমান পরিস্থিতি জানতে পড়ুন আমাদের ইন্ডিয়ান ভিসা আবেদন গাইড।
৮. যাত্রার আগে: থাই ইমিগ্রেশনের জন্য যা সঙ্গে রাখবেন
অনুমোদিত ই-ভিসা থাকলে আপনি ভ্রমণ করতে পারবেন, তবে থাইল্যান্ডে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন সেখানকার ইমিগ্রেশন অফিসার। ই-ভিসার প্রিন্ট কপি, পাসপোর্ট, রিটার্ন টিকিট, হোটেল বুকিং এবং ব্যাংক কার্ড বা নগদ অর্থের মতো আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ সঙ্গে রাখুন। অফিসার আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা, কোথায় থাকবেন ও কবে ফিরবেন — এসব জিজ্ঞেস করতে পারেন।
থাইল্যান্ড বিদেশি পর্যটকদের জন্য একটি অনলাইন অ্যারাইভাল কার্ডও চালু করেছে, যা পৌঁছানোর আগে পূরণ করতে হয়। যাত্রার কিছুদিন আগে থাই ইমিগ্রেশন বা দূতাবাসের অফিসিয়াল ঘোষণা দেখে নিন আপনার ক্ষেত্রে কী প্রযোজ্য, এবং শুধু সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন — টাকা নেওয়া নকল সাইট নয়।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনও আপনার ভিসা, টিকিট ও হোটেল বুকিং দেখতে চাইতে পারে। সবকিছু একটি ফোল্ডারে প্রিন্ট করে এবং ফোনেও রাখুন, তাহলে প্রক্রিয়া দ্রুত হবে।
৯. থাইল্যান্ড ভ্রমণে ডিযিনির সহায়তা
দূতাবাসের বর্তমান চেকলিস্টের সাথে আপনার কাগজ মিলিয়ে দেখা, রিকোয়েস্ট লেটার ও ভ্রমণসূচি তৈরি এবং টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে আমরা সাহায্য করতে পারি। যেকোনো জেলা থেকে হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইলে কাগজ পাঠান, অথবা কাকরাইলে ঢাকা প্রধান কার্যালয় বা শরীয়তপুর শাখায় আসুন। ভিসার সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র রয়্যাল থাই দূতাবাস নেয়।
ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? ডিযিনির সাথে যোগাযোগ করুন (শনি–বৃহস্পতি, সকাল ১০টা–সন্ধ্যা ৭টা)।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
বাংলাদেশিরা কি থাইল্যান্ডের ই-ভিসা পান?
হ্যাঁ। ২ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে বাংলাদেশি আবেদনকারীরা ভিসা সেন্টারে পাসপোর্ট জমা না দিয়ে অফিসিয়াল পোর্টাল thaievisa.go.th-এ আবেদন করেন। কাগজ আপলোড করে রয়্যাল থাই দূতাবাসের নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফি দিতে হয়, এরপর অনুমোদিত ই-ভিসা ইমেইলে আসে, যা প্রিন্ট করে সাথে রাখতে হয়।
বাংলাদেশ থেকে থাই ভিসা পেতে কত দিন লাগে?
ই-ভিসা চালুর সময় দূতাবাস জানিয়েছিল প্রসেসিং সাধারণত ১০ কর্মদিবসের মধ্যে হয়, তবে ব্যস্ত মৌসুমে বা অতিরিক্ত কাগজ চাইলে বেশি সময় লাগতে পারে। দূতাবাস ভ্রমণের অনেক আগে আবেদনের পরামর্শ দিয়েছে। ই-ভিসা অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত পরিবর্তনযোগ্য টিকিট নিন এবং নির্দিষ্ট পরিকল্পনা এড়িয়ে চলুন।
থাইল্যান্ড ভিসার জন্য ব্যাংকে কত টাকা লাগে?
ঢাকার রয়্যাল থাই দূতাবাসের টুরিস্ট ভিসা পেজে জনপ্রতি ন্যূনতম ৬০,০০০ টাকা বা পরিবারপ্রতি ১,২০,০০০ টাকা (অথবা সমপরিমাণ বাথ) উল্লেখ আছে, সাথে ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও মূল সলভেন্সি সার্টিফিকেট লাগে। পেজটি সর্বশেষ ২০২২ সালে হালনাগাদ হয়েছিল, তাই নতুন কোনো পরিবর্তন আছে কিনা দূতাবাসের সাইটে দেখে নিন।
বাংলাদেশিদের জন্য থাইল্যান্ড ভিসা ফি কত?
সঠিক অঙ্কটি ই-ভিসা আবেদন জমার পর তৈরি হওয়া পেমেন্ট সামারিতে দেখানো হয়, আর দূতাবাস অনলাইনে কনস্যুলার ফি তালিকা প্রকাশ করে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ভিন্ন ভিন্ন অঙ্ক থাকে, তাই অফিসিয়াল অঙ্কের ওপর ভরসা করুন। ফি দূতাবাসের নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দিতে হয় এবং তা ফেরতযোগ্য নয়।
থাই ই-ভিসার জন্য কি পাসপোর্ট জমা দিতে হয়?
না। ই-ভিসা ব্যবস্থায় পাসপোর্ট ও অন্যান্য কাগজের স্ক্যান আপলোড করতে হয়; মূল পাসপোর্ট আপনার কাছেই থাকে। অনুমোদনের পর ই-ভিসা প্রিন্ট করে পাসপোর্টের সাথে এয়ারলাইন ও থাই ইমিগ্রেশনে দেখাতে হয়। তবে দূতাবাস ইমেইলে অতিরিক্ত কাগজ চাইতে পারে।
ডিযিনি ট্যুরসের অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা
ফ্রি ফাইল যাচাই করুনআপনার ফাইল পাঠান
আমাদের কনসালট্যান্ট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনাকে সঠিক আপডেট জানাবেন।
সম্পর্কিত অন্যান্য ব্লগ

শেনজেন ভিসা আবেদন: বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ ভ্রমণ ভিসার কাগজপত্র
বাংলাদেশিদের জন্য শেনজেন ভ্রমণ ভিসার পূর্ণ চেকলিস্ট: কোন এম্বাসিতে আবেদন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ইনস্যুরেন্স, সময় এবং ভিসা প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণ।

ভিসা চেক করার নিয়ম: সৌদি, মালয়েশিয়া, দুবাই, ওমান ও কুয়েত
ভিসা চেক করার সঠিক নিয়ম: সৌদি, মালয়েশিয়া, দুবাই, ওমান ও কুয়েত ভিসা অফিসিয়াল পোর্টালে কীভাবে যাচাই করবেন এবং টাকা দেওয়ার আগে জাল ভিসা কীভাবে চিনবেন।

টুরিস্ট ভিসা করতে কি কি লাগে? কাগজপত্র, খরচ ও প্রস্তুতি
টুরিস্ট ভিসা করতে কি কি লাগে জানুন: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি, NOC, ট্রাভেল হিস্ট্রি, খরচের খাত এবং ভিসা প্রত্যাখ্যানের সাধারণ ভুল।












