ভিসা পরামর্শ

পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৬: ই-পাসপোর্ট ফি ও আবেদন

পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৬? ই-পাসপোর্ট আবেদনের কাগজপত্র, ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট ফি, অনলাইন আবেদনের ধাপ এবং পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম এক জায়গায়।

ডিযিনি ট্রাভেল সম্পাদকীয় টিমভিসা ও ট্রাভেল এক্সপার্ট টিম১১ মিনিটে পড়ুন
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৬: ই-পাসপোর্ট ফি ও আবেদন

এই আর্টিকেলের মূল বিষয়বস্তু

  • স্বচ্ছ, কাগজপত্রভিত্তিক ও হালনাগাদ নিয়মের পরামর্শ
  • প্রাথমিক ফাইল মূল্যায়নে কোনো অগ্রিম ফি নেই
  • ঢাকা প্রধান কার্যালয় ও শরীয়তপুর শাখায় সরাসরি সেবা
  • দেশের ৬৪ জেলা থেকে হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমেইলে অনলাইন সেবা

১. পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৬: সংক্ষেপে উত্তর

সংক্ষিপ্ত উত্তর: ২০২৬ সালে ই-পাসপোর্ট করতে লাগে সরকারি পোর্টাল epassport.gov.bd-এ অনলাইন আবেদন, জাতীয় পরিচয়পত্র (১৮ বছরের কম হলে অনলাইনে যাচাইযোগ্য জন্মনিবন্ধন সনদ), অনলাইনে বা অনুমোদিত ব্যাংকে পরিশোধিত পাসপোর্ট ফি এবং আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস ও ছবি দেওয়ার জন্য পাসপোর্ট অফিসে একবার উপস্থিতি। এই লেখার সময় সাধারণ ডেলিভারিতে ৪৮ পৃষ্ঠা ও ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের ফি ভ্যাটসহ ৪,০২৫ টাকা এবং ৪৮ পৃষ্ঠা ও ১০ বছর মেয়াদির ফি ৫,৭৫০ টাকা।

ই-পাসপোর্ট ইস্যু করে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর (DIP)। এর জন্য কোনো দালালের প্রয়োজন নেই — ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ বা যেকোনো জেলা থেকে অনলাইনে আবেদন করে নিজের ঠিকানার আওতাধীন আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গেলেই হয়। নিচে আমরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, পূর্ণ ফি তালিকা, ধাপে ধাপে ই-পাসপোর্ট আবেদন, ডেলিভারির সময়, পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম এবং যেসব ভুলে আবেদন সবচেয়ে বেশি আটকে যায় তা ব্যাখ্যা করেছি।

ফি, নিয়ম ও অফিসের প্রক্রিয়া সরকার নির্ধারণ করে এবং যেকোনো সময় বদলাতে পারে। এখানে দেওয়া তথ্য এই লেখার সময়ের (২০২৬ সালের শেষ দিক) হিসেবে ধরুন এবং টাকা দেওয়ার আগে অবশ্যই epassport.gov.bd-এ মিলিয়ে নিন।

২. ই-পাসপোর্ট আবেদনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: প্রাপ্তবয়স্ক, শিশু ও নবায়ন

কোন কাগজ লাগবে তা নির্ভর করে আপনার বয়স ও পরিস্থিতির ওপর। বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর জন্য তালিকাটি ছোট:

  • প্রাপ্তবয়স্ক (১৮+): জাতীয় পরিচয়পত্র (মূল ও ফটোকপি), অনলাইন আবেদনের প্রিন্ট কপি এবং ফি পরিশোধের রসিদ বা চালান।
  • ১৮ বছরের কম: অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (ইংরেজি সংস্করণ), সাথে বাবা ও মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর; সাধারণত বাবা বা মা শিশুকে নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যান।
  • নবায়ন বা রি-ইস্যু: জাতীয় পরিচয়পত্রের পাশাপাশি পুরোনো পাসপোর্ট (মূল ও ফটোকপি)।
  • হারানো বা চুরি যাওয়া পাসপোর্ট: থানায় করা জিডির কপি এবং সম্ভব হলে হারানো পাসপোর্টের ফটোকপি।
  • সরকারি চাকরিজীবী ও নির্দিষ্ট পেশাজীবী: পেশা উল্লেখ করতে চাইলে পোর্টালে নির্দেশিত GO/NOC বা সংশ্লিষ্ট পেশাগত সনদ।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মসনদে আপনার নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের নাম ও ঠিকানা হুবহু মিলছে কিনা নিশ্চিত করুন। এখন পাসপোর্ট দেওয়া হয় অনলাইনে যাচাই করা এনআইডি বা জন্মনিবন্ধনের তথ্যের ভিত্তিতে, তাই তথ্যের অমিলই দেরির সবচেয়ে বড় কারণ। এনআইডিতে ভুল থাকলে আগে নির্বাচন কমিশনে সংশোধন করে নিন, তারপর পাসপোর্টের আবেদন করুন।

৩. পাসপোর্ট ফি: পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে?

পাসপোর্ট ফি নির্ভর করে তিনটি বিষয়ের ওপর: পৃষ্ঠা সংখ্যা (৪৮ বা ৬৪), মেয়াদ (৫ বা ১০ বছর) এবং ডেলিভারির ধরন (সাধারণ, জরুরি বা অতীব জরুরি)। নিচের অঙ্কগুলো ১৫% ভ্যাটসহ, দেশে আবেদনকারীদের জন্য এই লেখার সময় প্রকাশিত ফি:

  • ৪৮ পৃষ্ঠা, ৫ বছর: সাধারণ ৪,০২৫ টাকা · জরুরি ৬,৩২৫ টাকা · অতীব জরুরি ৮,৬২৫ টাকা
  • ৪৮ পৃষ্ঠা, ১০ বছর: সাধারণ ৫,৭৫০ টাকা · জরুরি ৮,০৫০ টাকা · অতীব জরুরি ১০,৩৫০ টাকা
  • ৬৪ পৃষ্ঠা, ৫ বছর: সাধারণ ৬,৩২৫ টাকা · জরুরি ৮,৬২৫ টাকা · অতীব জরুরি ১২,০৭৫ টাকা
  • ৬৪ পৃষ্ঠা, ১০ বছর: সাধারণ ৮,০৫০ টাকা · জরুরি ১০,৩৫০ টাকা · অতীব জরুরি ১৩,৮০০ টাকা

প্রবাসী বাংলাদেশিরা দূতাবাস বা মিশনের মাধ্যমে মার্কিন ডলারে আলাদা ফি দেন; যেমন প্রবাসী শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৮ পৃষ্ঠা, ৫ বছর মেয়াদি সাধারণ পাসপোর্টের প্রকাশিত ফি ৩০ ডলার। ১৮ বছরের কম বয়সীরা ৪৮ পৃষ্ঠা ও ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট পান। শুধু পোর্টালে দেখানো সরকারি মাধ্যমে ফি দিন (পোর্টালের পেমেন্ট গেটওয়েতে কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং, অথবা অনুমোদিত ব্যাংকে চালান) এবং কোনো “স্পিড মানি” দেবেন না। ব্যবসা, চাকরি বা পড়াশোনার জন্য ঘন ঘন বিদেশে গেলে ৬৪ পৃষ্ঠা ও ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট বছরপ্রতি হিসাবে সাধারণত সাশ্রয়ী।

৪. ধাপে ধাপে ই-পাসপোর্ট আবেদন: epassport.gov.bd-এ অনলাইন প্রক্রিয়া

পুরো আবেদন শুরু হয় অনলাইনে; কাগজপত্র হাতে থাকলে ৩০–৪০ মিনিটেই হয়ে যায়:

  • ধাপ ১ – অ্যাকাউন্ট খুলুন: epassport.gov.bd-এ “Apply Online” বেছে নিন, জেলা ও থানা নির্বাচন করুন যাতে সিস্টেম সঠিক পাসপোর্ট অফিস নির্ধারণ করে, তারপর ইমেইল দিয়ে নিবন্ধন করুন।
  • ধাপ ২ – ফর্ম পূরণ: এনআইডি অনুযায়ী ব্যক্তিগত তথ্য, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, বাবা-মায়ের তথ্য, জরুরি যোগাযোগ এবং নবায়নের ক্ষেত্রে পুরোনো পাসপোর্টের তথ্য।
  • ধাপ ৩ – পাসপোর্টের ধরন বাছাই: পৃষ্ঠা, মেয়াদ ও ডেলিভারির ধরন; ফি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব হবে।
  • ধাপ ৪ – ফি পরিশোধ: পোর্টালে অনলাইনে অথবা অনুমোদিত ব্যাংকে জমা দিয়ে পেমেন্ট রেফারেন্স যুক্ত করুন।
  • ধাপ ৫ – অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন (যেখানে সুবিধা আছে) এবং আবেদনের সারাংশ প্রিন্ট করুন।
  • ধাপ ৬ – বায়োমেট্রিক: কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আঙুলের ছাপ, আইরিস, ছবি ও ডিজিটাল স্বাক্ষর দিন। আপনাকে একটি ডেলিভারি স্লিপ দেওয়া হবে — যত্ন করে রাখুন।

জমা দেওয়ার আগে প্রতিটি বানান আবার মিলিয়ে নিন; বায়োমেট্রিকের পর তথ্য বদলানো সময়সাপেক্ষ এবং বাড়তি কাগজ লাগতে পারে। ২০২৫ সালের একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বেশিরভাগ নতুন আবেদনে নিয়মিত পুলিশ ভেরিফিকেশনের বদলে অনলাইনে এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন যাচাই করা হয়, তবে বিশেষ ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ যাচাইয়ের নির্দেশ দিতে পারে — তাই এসএমএসে কোনো নির্দেশনা এলে তা মেনে চলুন।

৫. পাসপোর্ট কত দিনে পাওয়া যায় এবং অনলাইনে পাসপোর্ট চেক

প্রকাশিত সময়সীমা অনুযায়ী বায়োমেট্রিকের দিন থেকে সাধারণ ডেলিভারিতে প্রায় ১৫ কর্মদিবস (মোটামুটি ২১ দিন), জরুরিতে ৭ কর্মদিবস (মোটামুটি ১০ দিন) এবং অতীব জরুরিতে ২ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট দেওয়ার কথা। ব্যস্ত অফিসে বা তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে বাস্তবে বেশি সময় লাগতে পারে, তাই সবচেয়ে কম সময় ধরে ফেরতযোগ্য নয় এমন টিকিট বা ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করবেন না।

পাসপোর্ট চেক করতে epassport.gov.bd-এ গিয়ে “Check Status” অপশনে ডেলিভারি স্লিপে লেখা অ্যাপ্লিকেশন আইডি ও জন্মতারিখ দিন, অথবা নিজের অনলাইন অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে সাধারণত এসএমএস আসে। ডেলিভারি স্লিপ ও এনআইডি নিয়ে একই অফিস থেকে সংগ্রহ করুন; অফিসের নিয়ম মেনে অনুমোদিত প্রতিনিধিও সংগ্রহ করতে পারেন।

পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নামের বানান ও জন্মতারিখ মিলিয়ে নিন — প্রতিটি ভিসা, টিকিট এবং হজ বা উমরাহ নিবন্ধনে এই তথ্যই ব্যবহার হবে। ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে পরের প্রস্তুতির জন্য পড়ুন আমাদের টুরিস্ট ভিসার কাগজপত্রের গাইড।

৬. পাসপোর্ট নবায়ন, হারানো পাসপোর্ট ও তথ্য সংশোধন

নবায়ন: একই পোর্টালে রি-ইস্যু অপশন বেছে পুরোনো পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে আবেদন করুন। অনেক দেশ ও এয়ারলাইন অন্তত ছয় মাস মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট চায়, আর হজ ২০২৭-এর জন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট চেয়েছে — তাই ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে আগেভাগে নবায়ন করুন। পুরোনো মেশিন রিডেবল (এমআরপি) পাসপোর্ট মেয়াদ থাকা পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়; নবায়ন করলে ই-পাসপোর্ট পাবেন।

হারানো পাসপোর্ট: প্রথমে নিকটস্থ থানায় জিডি করুন, তারপর জিডির কপি দিয়ে রি-ইস্যুর আবেদন করুন। তথ্য সংশোধন: পাসপোর্ট ও এনআইডির তথ্যে অমিল থাকলে সাধারণত এনআইডি অনুযায়ী পাসপোর্ট হয়, তাই আগে এনআইডি ঠিক করুন। স্বামী/স্ত্রীর নাম বা পেশা পরিবর্তনের মতো ক্ষেত্রে বিয়ের সনদ বা GO/NOC-এর মতো সহায়ক কাগজ লাগতে পারে।

বিদেশে চাকরির জন্য পাসপোর্ট করছেন? মনে রাখবেন, পাসপোর্ট কেবল প্রথম কাগজ। কাউকে চাকরির অফারের জন্য টাকা দেওয়ার আগে পড়ুন ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কী ও কীভাবে পাওয়া যায়।

৭. সাধারণ ভুল ও দালাল থেকে সতর্কতা

বেশিরভাগ দেরি হয় এড়ানো যায় এমন ভুলের কারণে:

  • নিজের বা বাবা-মায়ের নামের বানান এনআইডি বা জন্মসনদ থেকে আলাদা হওয়া।
  • ভুল জেলা বা থানা নির্বাচন, ফলে ফাইল ভুল পাসপোর্ট অফিসে চলে যাওয়া।
  • ভুল ধরনের পাসপোর্টের ফি দেওয়া এবং পরে সমন্বয় করতে হওয়া।
  • দেরিতে আবেদন — যেমন ভিসা ইন্টারভিউ বা হজের সময়সীমার মাত্র এক মাস আগে।
  • “তাড়াতাড়ি করে দেব” বলা অপরিচিত কাউকে এনআইডি, ওটিপি বা পোর্টালের পাসওয়ার্ড দেওয়া।

বায়োমেট্রিক ছাড়াই পাসপোর্ট, বাড়তি টাকার বিনিময়ে নিশ্চিত তারিখ, কিংবা সরকারি মাধ্যমের বাইরে টাকা চাওয়া — এমন যেকোনো প্রস্তাব নিয়মবহির্ভূত; এতে টাকা হারানো বা আবেদন বাতিলের ঝুঁকি থাকে। সরকারি প্রক্রিয়াটি এমনভাবে তৈরি যে একজন সাধারণ নাগরিক নিজেই পুরো কাজ শেষ করতে পারেন।

৮. পাসপোর্টের পর: ভ্রমণ প্রস্তুতিতে ডিযিনি যেভাবে সহায়তা করে

ডিযিনি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস পাসপোর্ট ইস্যু করে না — এটি কেবল ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কাজ। আমরা সহায়তা করি পরের ধাপে: আমাদের এয়ার টিকেটিং সেবা-র মাধ্যমে ফ্লাইট বুকিং, ভিসার কাগজপত্র প্রস্তুত, বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরামর্শ, ওয়ার্ক পারমিট গাইডলাইন এবং হজ ও উমরাহর পরিকল্পনা (দেখুন আমাদের হজ প্যাকেজ ২০২৭ গাইড)।

কাকরাইলে আমাদের ঢাকা প্রধান কার্যালয় বা শরীয়তপুর শাখায় আসতে পারেন, অথবা যেকোনো জেলা থেকে হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইলে কাগজপত্র পাঠাতে পারেন। আপনার পরিকল্পনার জন্য কোন ধরনের পাসপোর্ট উপযুক্ত তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে ডিযিনির সাথে যোগাযোগ করুন (শনি–বৃহস্পতি, সকাল ১০টা–সন্ধ্যা ৭টা)।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৬ সালে?

প্রাপ্তবয়স্কদের লাগে জাতীয় পরিচয়পত্র, epassport.gov.bd-এ করা অনলাইন আবেদনের প্রিন্ট কপি এবং ফি পরিশোধের রসিদ। ১৮ বছরের কম বয়সীদের লাগে ইংরেজি অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ ও বাবা-মায়ের এনআইডি নম্বর। নবায়নে পুরোনো পাসপোর্ট এবং হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে থানার জিডির কপি লাগে। সরকারি চাকরিজীবীদের GO বা NOC লাগতে পারে।

পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে?

এই লেখার সময় সাধারণ ডেলিভারিতে ৪৮ পৃষ্ঠা ও ৫ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের ফি ভ্যাটসহ ৪,০২৫ টাকা এবং ৪৮ পৃষ্ঠা ও ১০ বছর মেয়াদির ৫,৭৫০ টাকা। জরুরি ও অতীব জরুরিতে খরচ বেশি, আর ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ৬,৩২৫ থেকে ১৩,৮০০ টাকা পর্যন্ত। ফি বদলাতে পারে, তাই পরিশোধের আগে epassport.gov.bd-এ যাচাই করুন।

অনলাইনে পাসপোর্ট চেক করব কীভাবে?

epassport.gov.bd-এ গিয়ে Check Status অপশনে ডেলিভারি স্লিপে লেখা অ্যাপ্লিকেশন আইডি ও জন্মতারিখ দিন। যে অ্যাকাউন্ট দিয়ে আবেদন করেছিলেন সেখানে লগইন করেও স্ট্যাটাস দেখা যায়। পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য প্রস্তুত হলে সাধারণত নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএস পাঠানো হয়।

ই-পাসপোর্ট পেতে কত দিন লাগে?

বায়োমেট্রিকের পর প্রকাশিত সময়সীমা হলো সাধারণ ডেলিভারিতে প্রায় ১৫ কর্মদিবস, জরুরিতে ৭ কর্মদিবস এবং অতীব জরুরিতে ২ কর্মদিবস। ব্যস্ত অফিস বা তথ্য যাচাইয়ের কারণে বেশি সময় লাগতে পারে, তাই ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট, চাকরির সময়সীমা বা হজ-উমরাহ নিবন্ধনের অনেক আগেই আবেদন করুন।

পাসপোর্টে কি এখনো পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে?

২০২৫ সালের একটি সরকারি প্রজ্ঞাপনে বেশিরভাগ পাসপোর্ট আবেদনে নিয়মিত পুলিশ ভেরিফিকেশন তুলে দিয়ে অনলাইনে এনআইডি বা জন্মনিবন্ধনের তথ্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ যাচাইয়ের নির্দেশ দিতে পারে এবং নিয়ম বদলাতে পারে, তাই এসএমএসে আসা নির্দেশনা মেনে চলুন ও সরকারি পোর্টালের সর্বশেষ নোটিশ দেখুন।

ট্যাগ:#ই-পাসপোর্ট আবেদন#পাসপোর্ট ফি#পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে#E-Passport Bangladesh#Passport Fee Bangladesh 2026#পাসপোর্ট চেক
ফ্রি ফাইল যাচাই

আপনার ফাইল পাঠান

আমাদের কনসালট্যান্ট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনাকে সঠিক আপডেট জানাবেন।

সরাসরি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন

ফর্মটি পূরণ করুন, আমাদের অভিজ্ঞ টিম দ্রুততম সময়ে যোগাযোগ করবে।

সকল ব্লগে ফিরে যান

সম্পর্কিত অন্যান্য ব্লগ

শেনজেন ভিসা আবেদন: বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ ভ্রমণ ভিসার কাগজপত্র
ভিসা পরামর্শ

শেনজেন ভিসা আবেদন: বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ ভ্রমণ ভিসার কাগজপত্র

বাংলাদেশিদের জন্য শেনজেন ভ্রমণ ভিসার পূর্ণ চেকলিস্ট: কোন এম্বাসিতে আবেদন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ইনস্যুরেন্স, সময় এবং ভিসা প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণ।

১০ মিনিটে পড়ুন
ভিসা চেক করার নিয়ম: সৌদি, মালয়েশিয়া, দুবাই, ওমান ও কুয়েত
ভিসা পরামর্শ

ভিসা চেক করার নিয়ম: সৌদি, মালয়েশিয়া, দুবাই, ওমান ও কুয়েত

ভিসা চেক করার সঠিক নিয়ম: সৌদি, মালয়েশিয়া, দুবাই, ওমান ও কুয়েত ভিসা অফিসিয়াল পোর্টালে কীভাবে যাচাই করবেন এবং টাকা দেওয়ার আগে জাল ভিসা কীভাবে চিনবেন।

১০ মিনিটে পড়ুন
টুরিস্ট ভিসা করতে কি কি লাগে? কাগজপত্র, খরচ ও প্রস্তুতি
ভিসা পরামর্শ

টুরিস্ট ভিসা করতে কি কি লাগে? কাগজপত্র, খরচ ও প্রস্তুতি

টুরিস্ট ভিসা করতে কি কি লাগে জানুন: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি, NOC, ট্রাভেল হিস্ট্রি, খরচের খাত এবং ভিসা প্রত্যাখ্যানের সাধারণ ভুল।

১০ মিনিটে পড়ুন

আমাদের পার্টনার

যাদের সাথে আমরা একসাথে কাজ করি

দেশের বিশ্বস্ত ট্রাভেল, রিক্রুটিং ও এডুকেশন কনসালট্যান্সি প্রতিষ্ঠানের সাথে মিলে আমরা আপনার সেবা নিশ্চিত করি।

কল করুনWhatsApp